বয়সের গণ্ডি পেরিয়েছে ৬৫! তবুও উপচে পড়ছে গ্ল্যামার, যৌবন ধরে রাখতে প্রতি রাতে রোজ এই কাজ করেন নীতা আম্বানি

দেশ তথা এশিয়ার সব থেকে ধনী এবং বিখ্যাত শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি। তার এবং তার পরিবারের লাইফস্টাইল আর ৫ জন সাধারণ মানুষের,

থেকে আলাদা এমনটাই মনে করেন সকলে। তার স্ত্রী নীতা আম্বানিও সাধারণের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। সৌন্দর্যের নিরিখে তিনি কোনও বলিউড নায়িকার,

থেকে কম নন। কম বয়সে অসাধারণ সুন্দরী ছিলেন নীতা। এখন তার বয়স ৬০ এর কাছাকাছি। তবে এখনও তার সৌন্দর্য্য দেখলে ঝলসে যাবে চোখ।

বিশেষ করে মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নিতা আম্বানি প্রায় আলোচনার বিষয় হয়ে থাকেন।নিতা আম্বানি প্রায় তার ব্যবসা, লাক্সারি শখ ও তার সৌন্দর্য্যের জন্য আলোচনার বিষয় হয়ে থাকেন। বলা যেতে পারে পৃথিবীতে এমন কোনো লাক্সারি বস্তু নেই যেটা আম্বানি পরিবারের কাছে নেই। সবচেয়ে দামি বাড়ি থেকে শুরু করে সবচেয়ে দামি গাড়ি পর্যন্ত সবকিছুই রয়েছে আম্বানি পরিবারের কাছে। তবে মুকেশ আম্বানির পত্নী নিতা আম্বানির রূপের কথা যদি বলা হয় তার সৌন্দর্য্য বলিউডের কোনো সুন্দরী অভিনেত্রীর থেকে কম নয়।

তার মুখে ৬০ ছুঁই ছুঁই বয়সেও রয়েছে আলাদাই গ্ল্যামার ও উজ্জ্বলতা। তার এই রূপের প্রতি মুগ্ধ তার ফলোয়ার্সরা। বর্তমানে ৫৮ বছর বয়স তাঁর। এছাড়া জনিয়ে দি যে কম বয়সে অসাধারণ সুন্দরী ছিলেন নীতা। তার জীবনযাপন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক চর্চা হয়। তার পরনের দামি শাড়ি থেকে ব্র্যান্ডেড হ্যান্ড ব্যাগ,জুতো থেকে শুরু করে কসমেটিক্স, এমনকি তার সকালের চা থেকে দিনে তিনি যে ব্র্যান্ডের জল পান করেন সেসবের দাম শুনলেই তো আকাশ থেকে পড়বেন! কিন্তু নিজের রূপ রুটিনে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে তিনি নিত্যদিন যে যে কাজগুলি করে থাকেন তা যে কোনো সাধারণ মানুষ অনায়াসে অনুসরণ করতেই পারেন। অনেকে মনে করেন যে নিতা কোনো বড় ব্র্যান্ডের কসমেটিক্স করেন।

কিন্তু শুধু ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করে ৬০ ছুঁই ছুঁই বয়সে এমন গ্লো বা গ্ল্যামার পাওয়া কখনোই সম্ভব নয়। আসলে নিতা আম্বানি একটি কঠিন রুটিন ফলো করেন। আর এই রুটিনের কারণে তিনি প্রতিদিন ১০-১১ টার মধ্যে ঘুমোতে চলে যান ও একদম ভোর ৫ টা নাগাত ঘুম থেকে উঠে যান তিনি। এরপর শরীরচর্চা করেন নিতা। তারপর শরীরচর্চা শেষ হলে তিনি ব্রেকফাস্টে ফলের রস খান। তিনি কখনো ফাস্ট ফুড খান না এবং খেতে পছন্দ করে না। আর তাই তিনি এতো সুস্থ, ফিট ও গ্ল্যামারাস। এছাড়া যত দামি কসমেটিক্স প্রোডাক্ট হোক না কেন নিতা রাসায়নিকযুক্ত কোনো কিছু ব্যবহার করেন না। আর এই হলো নিতা আম্বানির রুটিন।