রেস্টুরেন্টে না গিয়ে বাড়িতে আটা ও আলু দিয়ে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন বিকেলের সুস্বাদু নাস্তা, রইলো রেসিপি

বাঙালির রসনাতৃপ্তির বাহার তারিফযোগ্য। ভেজ ননভেজ সবেতেই লোভনীয় পদের ছড়াছড়ি। কচি পাঁঠার ঝোল হোক কিংবা গাছ পাঁঠা খাদ্যখাদকের তেলেঝোলে,

এহেন যোগসুত্র আর কোথায় বঙ্গ ছাড়া। আর আজ আপনাদের জন্য এমন একটি রেসিপি নিয়ে এসেছি যা একাধারে বানানো সহজ এবং টেস্টবাডকেও,

নতুনত্বের ছোঁয়া দিতে সক্ষম হবে। বাচ্চাকে টিফিনে কিংবা সকাল-সন্ধ্যের জলখাবারে বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিন খাইয়ে। আসুন জেনে নিই রাঁধব কিভাবে।

উপকরণ

আটা/ময়দা ২ কাপ
সেদ্ধ আলু ২ টি
পেঁয়াজ কুচি ১ টি
আদা-রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
কাঁচা লঙ্কা ১ টি
গোটা জিরা ১ চা চামচ
লঙ্কাগুঁড়ো ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ
নুন স্বাদমতো
তেল ২ টেবিল চামচ

প্রণালী:

প্রথমে আটা/ময়দায় নুন আর সামান্য তেল দিয়ে ঈষদুষ্ণ গরম জল দিয়ে মেখে নরম একটি ডো তৈরি করে নিতে হবে। এবার তার থেকে সামান্য বড় লেচি কেটে মাঝারি করে বেলে শুকনো কড়ায় এপিঠ ওপিঠ সেঁকে নিতে হবে। এবার পুর বানানোর জন্য কড়ায় অল্প তেল গরম করে জিরে ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বের হলে তাতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বাদামি রং হ‌ওয়া অব্দি অপেক্ষা করুন। এবার তাতে আদা-রসুন বাটা দিয়ে নেড়ে চেড়ে হলুদ, নুন, লঙ্কাগুঁড়ো দিয়ে কষান। তেল ছাড়লে সেদ্ধ করে ভেঙে রাখা আলু দিয়ে দিন।

পরিমাণে নুন দিয়ে কাঁচালঙ্কা কুচি দিয়ে নাড়ুন। আপনার পুর তৈরি। এবার সেঁকে রাখা রুটির মাঝামাঝি জায়গাতে আলুর পুর রাখুন। উপর দিয়ে চিজ আর সেদ্ধ ডিম গ্রেট করে দিয়ে সেটা একটা ফোল্ড করুন। অনেকটা ডিমের অমলেটের মতো। এবার কড়ায় তেল দিয়ে তাতে পুর ভরা পরোটা এপিঠ ওপিঠ করে ভেজে ফেলুন। ব্যস আর কি! গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু এই খাবার।