১৪ বছর বয়সের ভাই, ৯ বছর বয়সের বোন, নিজেদের ট্যালেন্ট কাজে লাগিয়ে মাসিক আয় ৩০ লক্ষ টাকা

ইন্টারনেট আর সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে মানুষ এখন অনলাইনের প্রতি নির্ভর হয়ে পড়েছে। বিশেষত দীর্ঘ লকডাউনে ঘরবন্দি মানুষের জীবন,

বলতে গেলে অনলাইনেই কেটেছে বেশিরভাগ সময়। সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রতিদিন হাজারো ভাইরাল ভিডিও শেয়ার হয়।

এই সমস্ত ভিডিওগুলিতে হাসির মজার জিনিস থেকে শুরু করে অবাক করে দেবার মত অনেক কিছু থাকে যা দেখবার মত।

আর এগুলো দেখতে দেখতেই অনেকটা সময় কেটে যায়। প্রতিটা মানুষের মধ্যেই কিছু বিশেষত্ব থাকে। আর
এই বিশেষত্বই হল প্রতিভা, লকডাউনে অনেকেই নিজেদের প্রতিভাকে আরো অনেক ভালো করে তুলেছেন। নেট দুনিয়া আছে বলেই কোনো প্রতিভা একেবারে শুরুতেই শেষ হয়ে যায় না। অনেকে আবার নিজেদের প্রতিভার ভিডিও বানিয়ে শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে, এতে তাদের প্রতিভা যেমন বিশাল সংখ্যা দর্শকদের কাছে পৌঁছে যায় খুবই অল্প সময়ে। ভারতীয় বংশদূত আমেরিকান দুই ভাই-বোনের বর্তমানে মাসিক আয় ৩৫ হাজার ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। শুনে চোখ কপালে উঠার মতো ঘটনা কিন্তু এই কাজটি করেছেন ক্রিপ্টোকারেন্সি বিষয়টা আয়ত্ত করেই।

কিপ্টোকারেন্সি অনেকের কাছেই একটা অজানা রহস্য এবং জটিল বিষয়। অনেকেই ক্রিপ্টোকারেন্সিতে মাইনিং ও ট্রেডিং করে হিমশিম খেলেও এই বয়সে দুই ভাই-বোন তা পেশাদার এক্সপার্টদের মতো আয়ত্ত করে ফেলেছে। তবে প্রথমে তারাও বিষটি এতোটা সহজভাবে বুজে উঠতে পারেনি বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম সিএনবিসিকে। এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, প্রথমে ঈশানেরর কথায় ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের পরিকল্পানা করেন। কিন্তু ঐ সময়ে বিনিয়োগ করার মতো এতো টাকা ছিলো না এই দুই ভাইবোনের কাছে। তাই বিনিয়োগ করার আগে ইউটিউবে এবং বিভিন্ন পত্রিকায় ঘাঁটাঘাটি শুরু করি। এবং ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের জন্য সঠিক সামগ্রী ক্রয় করি। এবং গেম খেলার জন্য নিজের ক্রয় করা কম্পিউটারকে,

ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের উপযোগী করে তুলি। প্রায় ৭ মাস ধরে ইউটিউবে ভিডিও দেখে বিটকয়েন এবং ক্রিপ্টো সংক্রান্ত ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করি। কাজের প্রথম দিকে দিনে ৩ ডলার আয় হয়েছিলো। এখন সেখানে ৩৫ হাজার ডলার উপার্জন করা সম্ভব হচ্ছে। এতে আমরা ভীষণ খুশি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে দুই ভাই বোন জানান, এটাকে ভবিষ্যতে পেশা হিসেবে নেবো কিনা সে বিষয়ে এখন সিদ্ধান্ত দিতে পারছিনা। তবে এই টাকা নিজেদের উচ্চ শিক্ষার কাজেই ব্যবহার করতে চাই বলে জানিয়েছে তারা। অনেকেই ইতিমধ্যে পেশা হিসেবে ফ্রিল্যান্সিংকে বেছে নিয়েছেন এবং এই খাত থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ ইনকাম করছেন অনেকে বিভিন্ন ভাবে অর্থ ইনকামের সুযোগ রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে। অল্প বয়স থেকেই অনেকে মোটা অংকের অর্থ ইনকাম করতে সক্ষম হচ্ছে নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে।